Wednesday, November 25, 2020
Health Tipsসেক্স টিপস

মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক বা ঋতুস্রাবের কারণ ও করণীয় ঘরোয়া সমাধান

মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক বা ঋতুস্রাবের কারণ ও করণীয় ঘরোয়া সমাধান

মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক বা ঋতুস্রাবের কারণ ও করণীয় ঘরোয়া সমাধান

মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক।এটি খুবি সাধারণ একটি সমস্যা।একটি নারি তার জিবনে কোন না কোন সময় এই অনিয়মিত মাসিকের সমস্যায় ভূগে থাকেন।মাসিক অনিয়মিত বলতে আমরা যেটা বুঝি প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট সময়ে সব মেয়েরী মাসিক হয়।যদি এর চেয়ে অন্যরকম হয় তাহলে আমরা সেটাকে বলি অনিয়মিত মাসিক।এখন আমরা প্রথম জেনে নেই যে মাসিক বলতে আমরা কি বুঝি।প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে এই প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট সময়ে যৌনি পথে বা তার মাসিকে রাস্তাদিয়ে যে রক্তস্রাব বের হয়ে আসে তখন সেটাকে আমরা মাসিক বলে থাকি।মাসিক সাধারণতো ২৮দিন অথবা ৩৮ দিন পরপর হয়ে থাকে।এবং যখন এই মাসিক শুরু হয় এক থেকে দুইদিন স্থায়ী হয়।অনিয়মিত মাসিক আমরা তখনই বলবো এই যে ২৮দিন বা ৩৮ দিন এর থেকে কয় মাস বা বেশি হয় অথবা মাসিক যদি বেশি দিন স্থায়ী হয়।

তখনি আমরা অনিয়মিত মাসিক বলে থাকি।আমরা এখন জেনে নেই অনিয়মিত মাসিক একটা মেয়ের কি কি কারণে হতে পারে,প্রথমে যদি আমরা সাধারন কারণ গুলো দেখতে যাই তাহলে দেখব যে কোন মেয়ে যদি হঠাৎ করে ওজন কমিয়ে ফেলে অথবা বাড়িয়ে ফেলে সেটাও হতে পারে অনিয়মিত মাসিক এর একটি কারণ যদি কোনো ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন বা পরামর্শ ছাড়া যে কোনো ধরনের হরমোন ওষুধ সেবন করে তাহলেও তার অনিয়মিত মাসিক হতে পারে।যারা জন্ম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য হরমোন পিল অথবা ওরাল কন্ট্রাসেপটিভ পিল খাচ্ছেন।তারা যদি হঠাৎ করে পিল খাওয়া অনিয়ম করেন তাহলেও সেটা অনিয়মিত মাসিকের কারণ হতে পারে।আর এখনকার যুগের ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপটিভ পিল নামে একটা পিল এসছে বাজারে যেটা অনেক বেশি সাধারণত ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই নিয়ে থাকেন সেটাও একটা মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অনিয়মিত মাসিকের এছাড়াও আরো কিছু কারণ আছে যেমন মেডিকেল প্রবলেম বলা হয়ে থাকে Polycystic ovarian disease নামে একটা ডিজিজ আছে যেখানে ওভার গুলো একটু বড় হয়ে যায় সে রকম কোনো অবস্থা যদি সৃষ্টি হয় তাহলে অনিয়মিত মাসিকে ভুগতে পারে Thyroid সমস্যা জন্য অনিয়মিত মাসিকে ভুগতে পারে।

সন্তান জন্মের সাথে ও মাসিক অনিয়মিত হওয়ার একটা সম্পর্ক আছে যেমন সন্তান জন্মের পরেই আমরা সাধারণত বলে থাকি নবজাতক সন্তানকে অথবা নবজাতক শিশুকে যেন 6 মাস মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো হয়।এই ছয় মাস সময় মা যখন তার বাচ্চাকে তার বুকের দুধ খাওয়ান তখনো মায়ের মাসিক বন্ধ থাকতে পারে অথবা অনিয়মিত হতে পারে কারো কারো 6 থেকে এক বছর সময় মাসিক বন্ধ থাকে, আবার কারো কারো 6 থেকে 1 বছর মাসিক হয় কিন্তু অনিয়মিত হয়।সেটাও ভয় পাওয়ার কিছু নাই এই মাসিক একসময় হয়তো ঠিক হয়ে যাবে এছাড়াও abortion অথবা আমরা যেটাকে মেডিকেল টাইমিলেশন বলে থাকি এ ধরনের ছোটখাটো প্রসিডিউর এর অথবা ছোটখাটো অপারেশনের পরেও মাসিক অনিয়মিত হতে পারে আমরা এখন জেনে নিই মাসিক অনিয়মিত ধরন কি কি আছে,যেমন একটি আছে যে কারো কারো মাসিক সব সময় অনিয়মিত আরেকটি ধরন আছে যে কারো কারো মাসিক হঠাৎ করেই অনিয়মিত হয়ে গেছে

মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক বা ঋতুস্রাবের কারণ ও করণীয় ঘরোয়া সমাধান বিস্তারিত লেখা হলো:
মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক বা ঋতুস্রাবের কারণ ও করণীয় ঘরোয়া সমাধান

প্রথম ধরনের যাদের মাসিক সবসময় অনিয়মিত তাদেরকে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে গিয়ে Throw checkup করে নেওয়া প্রয়োজন।কারণ যাদের সব সময় অনিয়মিত মাসিক তাদের মধ্যে সাধারণত দেখা যায় হরমোনের কিছু সমস্যা থেকে থাকে সে হরমোনের সমস্যা যদি থেকে থাকে তাহলে সেই হরমোনের সমস্যা টা আমরা ওষুধের মাধ্যমে ঠিক করতে পারি তাহলে তার মাসিক পরবর্তী সময়ে নিয়মিত হয়ে যাবে।এখন আসা যাক দ্বিতীয় ধরনের যাদের মাসিক সব সময় নিয়মিত কিন্তু হঠাৎ করে অনিয়মিত হয়ে গেল এদের জন্য একটি আবশ্যক হচ্ছে হঠাৎ করে অনিয়মিত হলে তাহলে তাদের জীবনপ্রণালী অবশ্যই ডাক্তারের কাছে বলা(জীবনযাত্রার মান) এবং আমাদের যে কাজকর্ম সে গুলোকে আমাদের পিছনের দিকে তাকিয়ে Analysis করতে হবে।যেমন প্রথমে বলেছিলাম হঠাৎ করে যদি কেউ মোটা হয়ে যান বা শুকনা হয়ে যান অথবা অতিরিক্ত মানসিক চাপে যদি কেউ থাকেন কর্মক্ষেত্র যদি পরিবর্তন হয় অথবা পারিবারিক যদি কোন সমস্যা হয়ে থাকে সেই সমস্ত সমস্যার কারণে মাসিক অনিয়মিত হতে পারে যদি এই সমস্ত কারণে মাসিক অনিয়মিত হয় তাহলে এত দুশ্চিন্তা আর কিছুই নাই কারণ এটা সাময়িক এবং খুব দ্রুতই মাসিকের এই সমস্যাটি ঠিক হয়ে যাবে তবুও বলবো যে  ধরনের মাসিকের সমস্যা হোক না কেন অবশ্যই মাসিকের দিন থেকে সাত দিন পার হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে কারণ যে সমস্ত মেয়েরা কারণ যে সমস্ত প্রয়োজন খনন মেয়েরা আছেন অথবা Reproductive লাইফে যে সমস্ত মেয়েরা আছেন মাসিক প্রথম অনিয়মিত হলে আমরা প্রথম চিন্তাটা যেটা করি সেটা হচ্ছে pregnancy।pregnancy কাঙ্খিত অনাকাঙ্ক্ষিত দুটোই হতে পারে যেটাই হোক না কেন অনাগত বাচ্চার পৃথিবীতে আসার যে রাস্তা সেটা যদি আমরা নিরাপদ করতে চায় তাহলে অবশ্যই মাসিকের যে দিনগুলো আমাদের মনে রাখতে হবে।এবং মাসিক অনিয়মিত হলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

এছাড়া আমাদের আরেকটা কথা মনে রাখতে হবে।মাসিক অনিয়মিত হওয়ার আরো জীবনের দুটি কারণ আছে।যেমন মেয়েদের প্রথম যে মাসিক শুরু হয় যেমন মাসিক শুরু হওয়ার প্রথম বয়সটা 9 থেকে 13 বছর এই সময় যখন মেয়েদের প্রথম মাসিক শুরু হয় প্রথম 2-3 বছর মেয়েদের মাসিক একটু অনিয়মিত হয়ে থাকে,এবং এই অনিয়মিত মাসিক ধীরে ধীরে সময়ের সাথে সাথে ঠিক হয়ে যায়।তবুও এই বয়সী মেয়েদের আমাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে যে আপনার মেয়েদের মাসিক সময় কখন হচ্ছে সবকিছু আপনারা নিজেরাই খেয়াল করুন যদিও ডাক্তারের ভাষায় এগুলো স্বাভাবিক তবুও একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিলে জটিল রোগ থেকে আপনার ছোট মেয়েটি হয়তো রেহাই পেতে পারে তাছাড়া 3এইচ pregnancy 3 এইচ এক্সিডেন্ট অনেক হতে পারে সেজন্য আপনারা মারা বাচ্চাদের মাসিকের সময় খেয়াল রাখতে হবে।এছাড়াও 3h মেয়েদের খাবার,জীবনযাপন সবকিছুই আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে।খাবার জীবন যাপন অথবা লাইফস্টাইল আমরা যেটাই বলে থাকি তার সাথে কিন্তু মাসিকে অনেক সম্পর্ক আছে।

তারপরে আসি আমরা মেয়েদের জীবনের যে শেষের ধাপ,অর্থাৎ menopause মাসিক বন্ধ হওয়ার দুই থেকে তিন বছর আগেও কিন্তু মাসিক অনিয়মিত হতে পারে এবং এই মাসিক স্বাভাবিক আমরা বলে থাকলেও সবার প্রতি আমাদের যে উপদেশ বা অনুরোধ থাকে যখনই মাসিক অনিয়মিত হবে তখন একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে গেছি আপনার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে নিন কারণ এই সময় এর মাসিক অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে pregnancy কারণ হতে পারে।অথবা মেয়েদের প্রজনন অঙ্গে ক্যান্সার গুলো হয়ে থাকে তারও কিছু উপসর্গ হিসেবে দেখা দিতে পারে তাই অনিয়ম আশিক সব মেয়েদের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সব সময় এ রোগের জন্য না হলেও এই অনিয়মিত মাসিকের জন্য হলেও আমাদের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।তাহলে প্রতিটা মেয়ের জীবনী হয়ে উঠবে নিরাপদ এবং নিশ্চিন্ত।

Source: প্রফেসর ডাঃ সেলিনা আক্তার
স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ
শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ
গাইনী কনসালট্যান্ট, ইউনাইটেড হাসপাতাল গুলশান-২ শাখা এবং প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট বানানী শাখা।

কখন সহবাস করলে বাচ্চা হয়সন্তান নেয়ার সঠিক সময় কখন
স্বামীর উপর উঠে সহবাস করলে কী হয় গর্ভাবস্থায় সহবাস পদ্ধতি
মেয়ে পটানোর ১০টি সহজ উপায় ১০০% পরীক্ষিত কার্যকারী ট্রিক্স
সহবাসের সময় যৌনাঙ্গ জ্বালাপোড়া বা ব্যথা কেন হয়
Admin
the authorAdmin
I hope you are enjoying this article. Thanks for visiting this website.